গরমে বাইরে ঘুরে ঘুরে ক্লান্ত হয়ে গেছেন? ঘরে এসে এক গ্লাস ঠাণ্ডা ঠাণ্ডা লাচ্ছি খেলে কমন হয়? দারুন হয় ব্যাপারটা! তাই খুব ঝামেলায় না গিয়ে বানিয়ে ফেলতে পারেন এক গ্লাস লাচ্ছি। লাচ্ছি সব সময় এক রকম না খেয়ে একটু ভিন্নতা আনতে পারেন। ভিন্নতা আনতে বানাতে পারেন এক নতুন লাচ্ছি। জাফরান এর লাচ্ছি বা খেজুর এর লাচ্ছি।

বাসায় হুট করে যদি মেহমানও চলে আসে চটজলদি সমাধানে বানাতে পারেন এই লাচ্ছি। এতে তারা যেমন খেয়েও খুশি হবে, আপনি বানিয়েও খুশি হবেন।জাফরান বা খেজুরের লাচ্ছি একরকম ভিন্ন আইটেমের লাচ্ছি।

চলুন জেনে নেয়া যাক কি ভাবে জাফরান লাচ্ছি বানাতে হয়ঃ

জাফরান লাচ্ছি রেসিপি

উপকরণ

এক গ্লাস লাচ্ছিতে লাগবে

টক দই = ১.৫ কাপ
জাফরান= ১/৪ টেবিল চামচ
চিনি=৩টেবিল চামচ
এলাচ গুঁড়ো= ১/৪ টেবিল চামচ
বরফ=৪ টি কিউব
চিনা বাদাম, পেস্তা বাদাম কুঁচি অথবা কাঠ বাদাম =পরিমান মত(সাজানোর জন্য)

প্রণালী

৩-৪ টা জাফরান ১.৫ টে.চা. পানিতে ১৫-২০ মিঃ ভিজিয়ে রাখুন

একটি ব্লেন্ডারে টক দই, জাফরান, চিনি ও এলাচ গুঁড়ো ভাল করে ব্লেন্ড করে নিন।

আবার বরফের কিউব দিন এবং আবারও ভাল করে ব্লেন্ড করুন।

একটি গ্লাসে লাচ্ছি ঢেলে উপরে বাদাম কুঁচি দিয়ে সাজিয়ে পরিবেষণ করুন।

আপনার মনমত জিনিস দিয়েও সাজাতে পারেন।

 

খেজুরের লাচ্ছি রেসিপি

This is the best drink of the summer, nuts or dates top tips

খেজুর অত্যন্ত সুস্বাদু একটি ফল। যা ফ্রুকটোজ এবং গ্লাইসেমিক সমৃদ্ধ। এটা রক্তে শর্করার পরিমাণ বাড়ায়। খেজুর ফলকে চিনির বিকল্প হিসেবে ধরা হয়ে থাকে। খেজুর শক্তির একটি ভালো উৎস। তাই খেজুর খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই শরীরের ক্লান্তিভাব দূর হয়। আছে প্রচুর ভিটামিন বি। যা ভিটামিন বিসিক্স মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়ক। তাই খেজুর শুধু এমনি এমনি খেতে না চাইলেও আপনি লাচ্ছি বানিয়ে খেতে পারেন।

খেজুরের লাচ্ছি বানানোর সহজ পদ্ধতিঃ

উপকরণ

এক গ্লাস লাচ্ছিতে লাগবে
টক দই=এক কাপ
ছয়টা খেজুর ভিজানো =হাফ কাপ দুধে
গুঁড়ো দুধ=এক চামচ
কাজু বাদাম কুঁচি= পরিমান মত
চিনি=স্বাদমতো
লবণ=সামান্য
পানি=পরিমাণ মতো
বরফ কুঁচি= পরিমান মত

প্রণালী

৬ টা খেজুরের বিচি ফেলে পরিমাণ মতো দুধে ভিজিয়ে রাখুন দুই ঘণ্টা।

খেজুর যদি নরম হয়, আধা ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখলেই হবে।

এরপর পরিমাণ মত টক দই, ভিজিয়ে রাখা খেজুর দুধসহ, কাজু বাদাম, চিনি, গুঁড়ো দুধ ব্লেন্ডারে নিয়ে ব্লেন্ড করে নিন।

এরপর বরফ কুঁচি দিয়ে পরিবেশন করুন। নিজের মনমত সাজাতে পারেন যদি আপনি চান।

মিশ্রন বেশি পাতলা হয়, টক দই মিশিয়ে নিতে হবে। আর বেশি ঘন হলে তরল দুধ দিয়ে ঠিক করে নিতে হবে।

আপনি চাইলে খেজুরের সঙ্গে পছন্দ মতো ফল যেমন কলা, আপেলও যোগ করে ব্লেন্ড করে মেশাতে পারেন। যদি একটু বাড়তি স্বাদ বা ভিন্নতা আনতে চান।