মিষ্টি কুমড়া যেকোনো কিছু দিয়েই খেতে ভাল লাগে। তা যাই হোক ভাত বা রুটি। মিষ্টি কুমড়ায় বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান আছে। ভিটামিন এ, ভিটামিন ই, আয়রনসহ আরও নানা পুষ্টিগুণ আছে। মিষ্টি কুমড়া সারা মাসব্যাপী একটি সবজি।

এটা যেমন সারা বছর পাওয়া যায় তেমনি মানুষ খেতেও পারে। মিষ্টি কুমড়া আমরা সব সময় ভাজি, ভর্তা , ঝোল বা তরকারি হিসাবে খাই মাছের সাথে। কিন্তু আজকে জানব ভিন্ন রকমের এক আইটেম, মিষ্টি কুমড়ার আচারি।

সারা দেশের এই লকডাউনে বাহিরে চলাচল স্বাভাবিক নয়। তাই আপনি সবজি হিসাবে এটা কিনে অন্যান্য সব্জির তুলনায় বেশি দিন সংরক্ষন রাখতে পারবেন। সহজে সবজির চাহিদাও পূরণ করতে পারবেন। আবার মিষ্টি কুমড়ার দামটাও হাতের নাগালের মধ্যেই থাকে।

তাই এই রমযানে হতে পারে আপনার রাতে বা বিশেষ করে সেহেরীর খাবারের একটি ভিন্ন আইটেম। যা ছেলেবুড়ো কম বেশি সবাই পছন্দ করবে।

চলুন তাহলে জেনে নেই কিভাবে বানাতে হয় মিষ্টি কুমড়ার সহজ রেসিপি “আচারি কুমড়া”

মিষ্টি কুমড়ার আচারি ‘ এই রেসিপিতে বাটা মসলা লাগে না তাই সময়ও কম লাগে। তাই সহজেই এটা তৈরি করতে পারবেন কোন রকম ঘাবড়ানো ছারাই।

আচারি কুমড়া তৈরির পদ্ধতি

আচারির উপকরন

মিষ্টি কুমড়া– ৫০০ গ্রাম
হলুদ গুঁড়া- ১/২ চা চামচ
লালমরিচের গুঁড়া- ১/২ চা চামচ
গোলমরিচের গুঁড়া- ১/২ চা চামচ
ক্যাপসিকাম– ১টি
টমেটো- ১টি
পেঁয়াজ কুঁচি- ২ চা চামচ
পাঁচফোঁড়ন- ১ চা চামচ
চাট মসলা- ১ চা চামচ
জিরা গুঁড়া- ১/২ চা চামচ
ধনেপাতা কুঁচি- ২ টেবিল চামচ
সরিষার তেল- ২ চা চামচ
লেবুর রস- সামান্য পরিমান
লবণ- স্বাদ অনুযায়ী

আচারি প্রস্তুত প্রনালি

প্রথমেই মিষ্টি কুমড়া ছোট ছোট টুকরো করে কেটে নিন।এবার ক্যাপসিকাম ও টমেটো কুচি কুচি করে কেটে রাখুন।

এবার চুলা জালিয়ে , চুলায় প্যান বসিয়ে তাতে তেল গরম করে নিন। তেল হতে হবে সরিষার তেল। এতে করে আচারির একটা ফ্লেভার আসবে।

তেল গরম হলে পাঁচফোড়ন দিয়ে দিন। পাঁচফোড়ন ফুটতে শুরু করলে পেঁয়াজ কুচি ও টমেটো কুচি দিয়ে হালকা করে ভেজে নিন।

এবার আসল উপাদান মিষ্টি কুমড়া দিয়ে দিন। তারপর চুলার তাপ মাঝারি আঁচে রেখে লবন, হলুদ গুরা, লালমরিচের গুরা ও গোল মরিচের গুরা দিয়ে ভাল করে নেরে দিন।

সামান্য একটু পানি দিয়ে সবজিটা কষিয়ে নিন। এই সময় জিরা গুঁড়া ও চাট মসলা দিয়ে নিন।

এবার ঢাকনা দিয়ে ৫ মিনিটের জন্য রান্না করুন। কুমড়া সেদ্ধ হয়ে যাবে। এমনিতেও মিষ্টি কুমড়া তারাতারি সেদ্ধ হয়ে যায়।

তারপর ক্যাপসিকাম কুচি দিয়ে আরও কিছুক্ষণের জন্য দমে রাখুন।ক্যাপসিকাম রান্নার শেষের দিকে দিবেন যাতে করে এর স্বাদ , রঙ ও পুষ্টিগুন ঠিক থাকে।

পানি টেনে মাখামাখা হলে ধনেপাতা কুচি ও লেবুর রস সামান্য দিয়ে দিন।

এবার নামিয়ে পরিবেশন করুন।