সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো ব্যাবহারের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকার  উপায় সমূহ

বর্তমান এমন মানুষ খুজে পাওয়া মুশকিল যিনি ফেসবুক, টুইটার বা গুগল প্লাস এসব সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যাবহার করেন না। প্রায় সকলে প্রতিনিয়ত নিজেদের চিন্তা-ভাবনা থেকে শুরু করে ছবি, ভিডিও প্রভিতি কনটেন্ট শেয়ার করে থাকেন সোশ্যাল মিডিয়াতে। তবে এসব ধরনের তথ্য যদি কোন অবাঞ্ছিত মানুষের হাতে পরে যায় তখন নানা ধরনের সমস্যায় পরতে হয়। হ্যাকাররাও অনেক সময় তথ্য চুরির জন্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ওপরে নির্ভর করে। তাই এসব মাধ্যম গুলি ব্যাবহারের ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করা প্রয়োজন।

১। তথ্যের গোপনীয়তা নিয়ন্ত্রণ করুন

ফেসবুক, টুইটার বা গুগল প্লাস সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে প্রতিদিন অনেক তথ্য শেয়ার করেন ব্যাবহারকারীরা। তবে সব তথ্য সবার জন্য উন্মুক্ত রাখা ঠিক নয়। সংবেদনশীল তথ্যগুলো কেবল বিশ্বস্ত মানুষের জন্য উন্মুক্ত রাখুন। ফেসবুকে যেকোনো পোস্টের ক্ষেত্রে ডানপাশের বার থেকে [Lock] এ ক্লিক করুন। এখান থেকে নির্বাচন করে দিতে পারবেন কাদের জন্য এসব তথ্য উন্মুক্ত রাখতে চান। টুইটারের সেটিংয়ের সিকিউরিটি অ্যান্ড প্রাভেসি অপশন থেকে নির্বাচন করতে পারবেন।
নিরাপত্তার জন্য টুইটবক্সের লোকেশন ট্যাগিংও নিষ্ক্রিয় করে দিন। আগের পোস্ট গুলোতে লোকেশন ট্যাগ করা থাকলে Delete all location information বাটনে ক্লিক করুন,সব ট্যাগ মুছে যাবে। Discoverability বক্সটি আনচেক করে দিলে আপনার ইমেইল এর মাধ্যমে কেউ খুজে পাবেনা আপনাকে।

২। অপ্রয়োজনীয় সেবা থেকে মুছে দিন নিজেকে

অনলাইনে অনেকের বিভিন্ন ধরনের ওয়েবসাইট অ্যাকাউন্ট থাকে। তবে কিছুদিন পর দেখা যায় যে অ্যাকাউন্ট খোলা সাইটগুলো বেশীরভাগ ব্যাবহার করা হয়না। এসব ওয়েবসাইট থেকে নিজের অ্যাকাউন্টটি ডিলিট করে দিন। আর অ্যাকাউন্ট ডিলিট করতে সমস্যা হলে justdelete.me, deleteyouraccount.com বা accountkiller.com সাইট গুলোর সাহায্য নিন।

৩। ওয়েবট্র্যাকিং বন্ধ করুন

ইন্টারনেট ব্যাবহারকারীদের ব্রাউজিংয়ের রেকর্ড ট্র্যাক করার মতো অনেক সার্ভিস রয়েছে। গুগোল বা বিংয়ের মত সার্চ ইঞ্জিনগুলোতেও ট্র্যাক করে ব্রাউজিং রেকর্ড। ব্রাউজিং রেকর্ড ট্র্যাক বন্ধ করতে বেশীরভাগ ব্রাউজারের রয়েছে ”ডু নট ট্র্যাক” অপশন। ব্রাউজিং সেটিং থেকে এই অপশন চালু রাখলে আর আপনার ব্রাউজিং রেকর্ড ট্র্যাক করা হবেনা। সার্চ রেকর্ড ট্র্যাক বন্ধ রাখতে DuckDuckGo.com সার্চ ইঞ্জিনও ব্যাবহার করতে পারেন।

৪। এক্সটেনশন ব্যবহার করুন

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম/ ওয়েবসাইটসহ অনলাইন ব্রাউজিংয়ে নিরাপদ থাকতে বেশকিছু এক্সটেনশন ব্যবহার করুন। এসব এক্সটেনশন অনাকাঙ্ক্ষিত অনেককিছু থেকে আপনাকে দূরে রাখতে সাহায্য করবে। এর মধ্যে রয়েছে ডিসকানেক্ট মি।