সারা দিন রোযা থেকে ইফতারিতে একটু কম মশলা যুক্ত খাবার চাই। আবার একটু কম মশলার ভিতরেও একটু মশলা যুক্ত আর মুখরোচক চাই। তাই এই দুই এর মিশেলে দারায় একটু চাল এর ভিতরের আইটেম বা খবার।

তাই কিমা পোলাও হতে পারে এর সহজ সমাধান। কারন এতে চাল, মশলা, চিকেন সবই আছে। আর মুখরোচক তো বটেই।

কিমা পোলাও তৈরি করতেও সহজ । বেশি ঝক্কি ঝামেলা পোহাতে হয় না। সময়ও অন্যান্য আইটেমের থেকে কম লাগে। কারন এতে আলাদা করে তরকারীর আইটেম না করলেও চলে।

খেতেও অন্যান্য রেসিপি থেকে ভিন্ন হওয়ায় ছোট বড় সবাই খেতে পছন্দ করে। তাই চলুন জেনে নেয়া যাক  কিভাবে মুরগীর কিমা পোলাও রান্না করা যায়।

মুরগীর কিমা পোলাও তৈরির পদ্ধতি

উপকরনঃ

পোলাও চাল =২ কাপ
মুরগির মাংসের কিমা =১ কাপ
ঘি =১/৪ কাপ
পেঁয়াজ কুঁচি =২ টেবিল চামচ
দারচিনি =কয়েক টুকরা
এলাচ =৪ টি
লবঙ্গ =২ টি
আদা বাটা =২ চা চামচ
জয়েত্রি গুঁড়া / বাটা =হাফ চা চামচ
জায়ফল বাটা =হাফ চা চামচ
ফুটানো গরম পানি =৩ কাপ
লবন =স্বাদমতো
কাঁচা মরিচ =কয়েকটা

 

প্রণালীঃ

পদ্ধতি ১

একটি প্যানে ঘি দিয়ে দারচিনির টুকরা, এলাচ ও লবঙ্গ দিয়ে নিন। এখন পেঁয়াজ কুঁচি দিয়ে হালকা লাল করে ভাজুন। তারপর আদা বাটা দিয়ে একটু নাড়াচাড়া করে করে নিন।

পদ্ধতি ২

এখন এতে কিমা, জয়েত্রি গুঁড়া আর জায়ফল বাটা দিয়ে নিন। এবার ভাল করে রান্না করুন ৪ থেকে ৫ মিনিট। এখন চাল দিয়ে ২-৩ মিনিট ভাল করে ভুনে নিন। এবার ফুটানো পানি দিয়ে সাথে স্বাদমতো লবন দিন। শেষে কয়েকটা কাঁচামরিচ দিয়ে দিন উপরে । ৫ মিনিট এভাবে রান্না করুন ভাল করে।

পদ্ধতি ৩

এখন চুলার আঁচ একদম কমিয়ে দিয়ে ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দিন। এভাবে ১২ থেকে ১৫ মিনিট পর ঢাকনা খুলে দেখবেন যে পানি শুকিয়ে আসছে কিনা। আবার ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দমে রাখুন ৫ মিনিট ।

পরিশেষে

পরিবেশনের সময় উপরে বেরেস্তা ছিটিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করুন মজাদার মুরগীর কিমা পোলাও।আপনি চাইলে নিজের মন মত জিনিস দিয়েও সাজিয়ে পরিবেশন করতে পারেন।