ঝটপট বানিয়ে ফেলুন শহী গাজরের হালুয়া

শীতকাল শব্দটা শুনলেই ভোজন রসিকদের মাথায় পরপর কয়েকটা নাম চলে আসে। যেমন  পিঠাপুলি, খেজুরের রস, খেজুর গুড় , বাহারি সবজি ইত্যাদি।
আর শীতের সময়ে বাজারে নানারকম সুস্বাদু টাটকা সবজি পাওয়া যায়। গাজর তার মধ্যে খুব পরিচিত। সাধারণত বিভিন্ন রান্নাকে কালারফুল করতে আমরা গাজর বেশি ব্যবহার করি। তাছাড়া এই সবজি দিয়ে আরো নানারকম মুখরোচক ডেজার্ট বানানো যায়। যেমন , গাজরের হালুয়া, গাজরের বরফি, ছানা গাজরের সন্দেশ বা ক্যারোট ডিলাইট, গাজরের কেক /ক্যারোট কেক, বেকড ক্যারোট ডিলাইট আরো কত কি !

এই সব কিছুর মধ্যে সবথেকে সহজ আর ঝটপট তৈরী করা যায় গাজরের হালুয়া। চলুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক রেসিপিটি।

 উপকরণ সমূহ

১। গ্রেট করা গাজর – ৩ কাপ
২। চিনি – ৩/৪ কাপ
৩। ঘি – ৩ টেবিল চামচ
৪। এলাচ গুঁড়ো – ১/৫ চা চামচ
৫। ঘন দুধ – ১ কাপ
৬। গুঁড়ো দুধ – ১/২ কাপ

প্রস্তুত প্রণালী

প্রথমে গাজর গুলা ভালোভাবে ধুয়ে নিন। এরপর গাজর পাতলা করে ছিলে নিন। ছেলা হয়ে গেলে গাজর গুলা একটি পাত্রে পানিতে ভিজিয়ে রাখুন ৫ মিনিট এর জন্য। ৫ মিনিট পরে গাজর গুলা ভালোভাবে কচলে ধুয়ে নিন। এখন গাজর গুলা কুচি করার পালা। একটি আলু কুচি করার মেসিন দিয়ে গাজর গুলা ভালোভাবে কুচি করে নিন। তবে গাজর গুলি কুচি করতে হবে মেসিনের ছোট ছিদ্র দিয়ে।

এখন রান্নায় যাওয়া যাক

চুলায় একটি পাত্রে ৩ টেবিল চামচ ঘি নিন। ঘি টা গরম হলে তাতে কুচি করা গাজর গুলো দিয়ে দিন। এখন ভালোভাবে নাড়াচাড়া করতে থাকুন যতক্ষণ পর্যন্ত গাজরের পানি না শুখায়।

গাজরে পানি শুকিয়ে গেলে এর মধ্যে দিয়ে দিতে হবে চিনি। এখন ভালোভাবে নাড়তে থাকুন। নেড়েচেড়ে যখন চিনি ভালোভাবে গুলে যাবে তখন এর মধ্যে দিয়ে দিন ঘন দুধ। এর পর ভালোভাবে নেড়েচেড়ে ঢেকে দিন। এতে করে গাজরের কাঁচা ভাবটা চলে যাবে। মাঝে মাঝে ঢাকনা তুলে নেড়ে দিতে হবে।

এর মাঝে ১ কাপ গুড়া দুধ এবং ১ চামচ ঘি দিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। তাহলে হালুয়ার টেস্ট অনেক বেড়ে যাবে। এর পর শেষ পর্যায়ে আর এক চামচ গি দিয়ে দিন। অনবরত নাড়তে হবে জাতে তলায় লেগে না যায়। যখন পুরা হালুয়া থেকে রস শুকিয়ে যাবে তখন চুলা থেকে নামিয়ে নিন।

পরিবেশন 

হালুয়া একটি সুন্দর ডিশে নামিয়ে নিন। এখন পছন্দ মত বাদাম কিশমিশ দিয়ে পরিবেশন করুন।