ডায়াবেটিস এর হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবন

ডায়াবেটিস মেলিটাস(Diabetes mellitus) একটি হরমোন সংশ্লিষ্ট রোগ। মানব দেহের  অগ্ন্যাশয়ে যদি যথেষ্ট পরিমাণ ইনসুলিন তৈরি করতে না পারে অথবা শরীর যদি উৎপন্ন ইনসুলিন ব্যবহারে ব্যর্থ হয়ে থাকে, তাহলে মানব দেহে যে রোগ সৃষ্টি  হয় তা হলো 'ডায়াবেটিস'বা 'বহুমূত্র রোগ'। তখন রক্তে চিনি বা শকর্রা এর উপস্থিতি জনিত অসামঞ্জস্য হিসাবে দেখা দেয়। ইনসুলিনের ঘাটতিই হল এ রোগের মূল কারণ। অগ্ন্যাশয় থেকে নিঃসৃত হরমোন, যার সহায়তায় দেহের কোষগুলো রক্ত থেকে গ্লুকোজ নিয়ে শক্তির জন্য ব্যবহার করতে পারে। ইনসুলিন উৎপণ্য বা ইনসুলিনের কাজ করার ক্ষমতা-এর যেকোনো একটি বা দুইটিই যদি না হয়, তাহলে রক্তে ধিরে ধিরে বাড়তে থাকে গ্লুকোজ। আর এটাকে নিয়ন্ত্রণ না করা গেলে ঘটে যায় নানা রকম জটিলতা যেমন দেহের টিস্যু ও যন্ত্র ধীরে ধীরে বিকল

ডায়াবেটিস এর হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবন2019-03-01T15:19:55+06:00

রক্তচাপ নির্ণয়ে নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবন।যা দিয়ে দ্রুত রক্তচাপ নির্ণয় সম্ভব।

রক্ত গত্রের উপর রক্ত কর্তৃক প্রযুক্ত চাপকে রক্তচাপ (blood pressure) বলে। সাধারণত রক্তচাপ বলতে সিস্টেমিক প্রবাহ-এর ধমনিক প্রবাহ (arterial pressure) কে বোঝায়। প্রতিটি হৃৎস্পন্দনের সময় একবার সর্বোচ্চ চাপ (সিস্টোলিক) এবং সর্বনিম্ন চাপ (ডায়াস্টলিক) চাপ হয়ে থাকে ।   হৃৎপিন্ডের সংকোচন প্রবণতাই রক্তচাপের প্রধান কারণ।এটি সাধারণত উর্ধ্ববাহুর ব্রাকিয়াল ধমনীতে দেখা যায়। রক্তচাপ সবসময় সিস্টোলিক চাপ উপরে এবং ডায়াস্টলিক চাপ নিচে লিখে প্রকাশ করা হয়। যেমন ১২০/৮০।যার একক মি.মি.হল পারদ। কোন অসুখের কারণে রক্তচাপ বেড়ে গেলে তাকে হাইপার টেনশন বা উচ্চ রক্তচাপ এবং কমে গেলে হাইপো টেনশন বা নিম্ন রক্তচাপ বলা হয়। রক্তচাপ নির্ণয় করার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হচ্ছে রক্তচাপমান যন্ত্র বা (বিপি মেশিন)।ইংরেজিতে বলে স্ফিগমোম্যানোমিটার (sphygmomanometer) ।প্রায় প্রতিটি ওষুধের দোকানেই রক্তচাপ মাপার এ যন্ত্রটি পাওয়া যায় ।

রক্তচাপ নির্ণয়ে নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবন।যা দিয়ে দ্রুত রক্তচাপ নির্ণয় সম্ভব।2019-03-01T15:25:45+06:00

পৃথিবীর সেরা ৪টি উদ্ভাবন

এই পৃথিবীতে প্রায় প্রতিদিনই কোন না কোন কিছু উদ্ভাবন বা আবিষ্কার হচ্ছে। দিন যত যাচ্ছে আবিষ্কারের সংখ্যা ততো বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবে যত আবিষ্কারই বৃদ্ধি হয় না কেন, এমন কিছু আবিষ্কার আছে যা পৃথিবী ধ্বংসের শেষ সময় পর্যন্ত শ্রেষ্ঠ উদ্ভাবন হিসাবে স্বীকৃতি থাকবে।এই পৃথিবীর মধ্যে অনেক উদ্ভাবনী আছে যা দ্বারা মানুষ প্রাচীন সভ্যতা থেকে আধুনিক সভ্যতার মধ্যে চলে আসছে।এই পৃথিবীর মধ্যে মানুষের তৈরি হাজার হাজার উদ্ভাবন আছে যা কখনও গুনে শেষ করা যাবে না, তবে এখন পর্যন্ত মানুষের তৈরি ৪টি উদ্ভাবনকে শ্রেষ্ঠ মহা উদ্ভাবন হিসাবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। এই মহা ৪টি উদ্ভাবন হল। ১। কম্পাস ২। গানপাউডার ৩। কাগজ ৪। ছাপার যন্ত্র (প্রিন্টিং) উপরের এই ৪টি মহা উদ্ভাবন এই মহাবিশ্বের মধ্যে শুধু সভ্যতা গঠনে ভূমিকা রাখে

পৃথিবীর সেরা ৪টি উদ্ভাবন2017-04-18T13:24:41+06:00