You are here:Home-সাইকোলজিক্যাল টিপস

বাইপোলার ডিস্‌অর্ডার এর কারণ লক্ষণ ও চিকিৎসা

বাইপোলার ডিস্‌অর্ডার এর কারণ লক্ষণ ও চিকিৎসা বাইপোলার ডিস্‌অর্ডার কি? বাইপোলার ডিস্‌অর্ডার একটি মানসিক স্বাস্থ্য সম্বন্ধীয় অবস্থা, যেখানে কোনও ব্যক্তির মেজাজের পরিবর্তন ঘটে চরম আনন্দ এবং বিষণ্ণতা যেকোনো একটিতে। একে ম্যানিক ডিপ্রেশনও বলে। যাতে ব্যক্তি রোজকার জীবন ক্ষতিগ্রস্থ হয়। বাইপোলার ডিস্‌অর্ডার সাধারণত চার রকমের দেখা যায়। বাইপোলার ১ ডিস্‌অর্ডারঃ অন্ততপক্ষে ৭ দিন ধরে চলা ম্যানিয়া বা ২ সপ্তাহব্যাপী ডিপ্রেশনের জন্য রোগীকে তৎক্ষণাৎ হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়। বাইপোলার ২ ডিস্‌অর্ডারঃ এক্ষেত্রে ডিপ্রেসিভ ও হাইপোম্যানিক এপিসোডের মিশেল লক্ষ করা যায়। অনির্দিষ্ট বাইপোলার ডিস্‌অর্ডার বা বিপি-এনওএসঃ এক্ষেত্রে বাইপোলারের উপসর্গগুলিকে ওপরের নির্দিষ্ট দুটি ভাগে ভাগ করা যায় না। সাইক্লোথাইমিক ডিস্‌অর্ডার বাসাইক্লোথাইমিয়াঃ এক্ষেত্রে অন্তত দুই বছর রোগীর মধ্যে সামান্য ম্যানিয়া ও ডিপ্রেশন দেখতে পাওয়া যায়। বাইপোলারের উপসর্গ কি? বাইপোলারে ব্যক্তি

বাইপোলার ডিস্‌অর্ডার এর কারণ লক্ষণ ও চিকিৎসা2020-05-31T22:07:11+06:00

ইনসমনিয়া বা অনিদ্রার কারণ, লক্ষণ ও প্রতিকার।

ইনসমনিয়া বা অনিদ্রার কারণ, লক্ষণ ও প্রতিকার। বাঁচতে হলে ঘুমোতেই হবে! ঘুমই হচ্ছে সুষ্ঠুভাবে বেঁচে থাকার চাবিকাঠি। ঘুম আপনার মস্তিষ্ক ও শরীরকে দেয় পূর্ণাঙ্গ বিশ্রাম। যার কারণে আপনি কর্মক্ষম থাকতে পারেন। কিন্তু যাদের রয়েছে ইনসমনিয়া সমস্যা, বিশেষ করে অনিদ্রারমতো ভয়াবহ যন্ত্রণা যাদের রয়েছে, তারাই বুঝতে পারেন ঘুমের মূল্য! অনিদ্রা মানে না ঘুমিয়ে থাকা। কিন্তু পুরোপুরি না ঘুমিয়েতো বেঁচে থাকা সম্ভব নয়। অনেক আছে যারা রাতের পর রাত শুয়ে জেগে থাকে, ঘুমানোর চেষ্টা করলেও তাদের ঘুম আসে না। আবার ঘুমানোর পর মধ্যরাতে জেগে যায়। চেষ্টার পরও আর ঘুমাতে পারে না। অনেকে এটাকে খুব সাধারণ ব্যাপার মনে করে গুরুত্ব দেন না। কিন্তু, সারা দিনের কাজকর্ম শেষে শরীর ও ব্রেনের বিশ্রাম দরকার হয়। ঘুমের সমস্যা নিয়মিত চলতে থাকলে

ইনসমনিয়া বা অনিদ্রার কারণ, লক্ষণ ও প্রতিকার।2020-05-30T17:33:51+06:00

লজ্জা ও সামাজিক ভয় (সোশ্যাল ফোবিয়া)

লজ্জা ও সামাজিক ভয় (সোশ্যাল ফোবিয়া) ফোবিয়া একধরনের ভয়। আমাদের অনেকের মাকড়সা দেখলে ভয় হয় বা উঁচু জায়গায় দাঁড়ালে মাথা ঘুরে যায়।তবে সাধারণত এতে আমাদের দৈনন্দিন কাজের ব্যাঘাত হয় না। ভয় তখনি ফোবিয়া হয়ে দাঁড়ায় যখন এর ফলে আমাদের স্বাভাবিক কাজকর্ম ব্যাহত হয়। একশো জনের মধ্যে পাঁচ জনের সোশ্যাল ফোবিয়া থাকে। পুরুষের তুলনায় মহিলাদের ক্ষেত্রে এটি ২/৩ গুণ বেশি দেখা যায়। আপনার সোশ্যাল ফোবিয়া থাকলে আপনি অচেনা লোকের সামনে খুব অস্বস্তিবোধ করবেন। আপনার মনে হবেঃ সবাই আপনাকে অপছন্দ করছে আপনি এখনি কী করতে কী করে বসবেন এই অনুভূতি এতই কষ্টকর হতে পারে যে আপনি হয়ত লোকের সঙ্গে মেলামেশাই করতে পারবেন না। সব সামাজিক অনুষ্ঠান আপনি এড়িয়ে যাবেন। প্রকারভেদ প্রধানতঃ দুধরনের সোশ্যাল ফোবিয়া দেখা যায়ঃ ১।

লজ্জা ও সামাজিক ভয় (সোশ্যাল ফোবিয়া)2020-05-30T00:32:17+06:00
Go to Top