You are here:Home-স্বাস্থ্য

নিরাপদ মাতৃত্ব – গর্ভকালীন পরিচর্যা ও স্বাস্থ্যসেবা

নিরাপদ মাতৃত্ব - গর্ভকালীন পরিচর্যা ও স্বাস্থ্যসেবা গর্ভধারণের সময় হতে সন্তান ভূমিষ্ঠ হওয়া পর্যন্ত সময়কালে মা ও শিশুর যত্নকে গর্ভকালীন যত্ন বা Antinatal Care বলে। এই গর্ভকালীন যত্নের লক্ষ্য হলো মা ও শিশুর সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করা এবং গর্ভজনিত কোনো জটিলতা দেখা দিলে তার প্রতিরোধ বা চিকিৎসা করা। এক কথায় মায়ের স্বাস্থ্যের কোনো অবনতি না করে সমাজকে একটি সুস্থ শিশু উপহার দেয়া। একজন গর্ভবতী মায়ের গর্ভকালীন সময়ে নিয়মিত স্বাস্থ্যসেবা, নিরাপদ প্রসব এবং প্রসব পরবর্তী স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করা গর্ভবতীর স্বামীসহ পরিবারের সকলের সমান দায়িত্ব । ১। গর্ভধারণের পরপরই একজন গর্ভবতী মহিলার গর্ভকালীন যত্নের জন্য স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যেতে হবে অথবা ডাক্তারের শরণাপন্ন হওয়া উচিত। প্রথম ভিজিটের পর একজন গর্ভবতীকে সাধারণত ২৮ সপ্তাহ পর্যন্ত প্রতিমাসে একবার, ৩৬ সপ্তাহ পর্যন্ত

নিরাপদ মাতৃত্ব – গর্ভকালীন পরিচর্যা ও স্বাস্থ্যসেবা2019-07-14T21:23:53+06:00

দাম্পত্য জীবনে সুখি হওয়ার কিছু কার্যকরী টিপস

দাম্পত্য জীবনে সুখি হওয়ার কিছু কার্যকরী টিপস সুখী দাম্পত্য জীবন সকলেই চায়। কিন্তু চাইলেই তো আর জীবনে সুখ পাওয়া যায় না। সুখী দাম্পত্য জীবন পেতে গেলে তার কতগুলি শর্ত মেনে চলতে হয়। এই শর্তগুলি মানলেই জীবন হয়ে ওঠে আনন্দময়। এক সংসারে থাকতে গেলে হাতা আর খুন্তির মধ্যে কিছু ঠোকা ঠুকি তো লাগবেই। কিন্তু তা বলে একসঙ্গে থাকব না বললে কীভাবে চলবে! তাহলে চট জলদি নিচের শর্তগুলিতে চোখ বুলিয়েই ভাবুন কীভাবে সুখী রাখবে আপনার দাম্পত্য জীবনকে দাম্পত্য জীবনে সুখি হওয়ার শর্তসমূহ ১। রাগকে সঙ্গে করে বিছানায় যাবেন না মাথা গরম তো সকলেরই হয়। কিন্তু তা বলে এক মুখ রাগ নিয়ে বিছানায় গেলে কখনো দাম্পত্য আর সুখীর আখ্যা পাবে না। তাই বিছানায় যাওয়ার আগেই নিজের রাগকে থিতু

দাম্পত্য জীবনে সুখি হওয়ার কিছু কার্যকরী টিপস2019-07-07T23:01:24+06:00

যৌন স্বাস্থ্য রক্ষায় কিছু বিষয় সকলের জানা উচিত

যৌন স্বাস্থ্য রক্ষায় কিছু বিষয় সকলের জানা উচিত আমাদের দেশের অধিকাংশ মানুষ যৌন স্বাস্থ্যের ব্যাপারে একেবারেই অসচেতন। অন্যান্য শারীরিক সমস্যায় সবার সাথে আলোচনা কিংবা ডাক্তারের কাছে গেলেও যৌন স্বাস্থ্যের সমস্যায় তারা সহজে কারো সাথে আলাপ করে না। কিন্তু সুখী দাম্পত্য জীবনের জন্য দরকার সুখী ও স্বাস্থ্যকর যৌন জীবন। যৌন স্বাস্থ্য ভালো থাকলে দাম্পত্য জীবন হয় সুখী ও সুন্দর। আর তাই সকলেরই যৌন স্বাস্থ্যের যত্ন নেয়া উচিত। যৌন স্বাস্থ্য ভালো রাখার আছে কিছু বিশেষ উপায়। আসুন জেনে নেয়া যাক যৌন স্বাস্থ্য ভালো রাখার উপায় সম্পর্কে। যৌন স্বাস্থ্য ভালো রাখার ৫টি উপায় ১। পুষ্টিকর খাবার খাওয়া: সুস্থ যৌন স্বাস্থ্যের জন্য প্রয়োজন শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান। কিছু বিশেষ খাবার আছে যেগুলো যৌন স্বাস্থ্য ভালো রাখার ক্ষেত্রে ভূমিকা

যৌন স্বাস্থ্য রক্ষায় কিছু বিষয় সকলের জানা উচিত2019-07-07T19:50:08+06:00

প্রবীণদের শারীরিক সমস্যা এবং আমাদের করনীয়

প্রবীণদের শারীরিক সমস্যা এবং আমাদের করনীয় শৈশবের সোনালি সকাল শেষ করে তারুণ্য আর যৌবনের রোদেলা দুপুর পাড়ি দিয়ে, মাঝ বয়সের ব্যস্ত বিকালটাও যখন চলে যায়, তখনই জীবনের গোধূলিবেলা হয়ে আসে বার্ধক্য। এই সময়টাই মানবজীবনের শেষ অধ্যায়। আমাদের সমাজে প্রবীণদের স্বাস্থ্য বা অন্যান্য সমস্যা নিয়ে তেমন কিছু ভাবি না। বয়স্করা বা প্রবীণরা তো আমাদের পরিবারের সৌন্দর্য। তাদের দিকে আমাদের গুরুত্ব দেওয়া উচিত। কারণ তারা পরিবারের শ্রদ্ধার পাত্র। তারা অসুস্থ থাকলে গোটা পরিবারেই অশান্তি নেমে আসে। এ জন্য প্রথম থেকেই তাদের স্বাস্থ্য বিষয়ে সচেতন থাকতে হয়। তা ছাড়া মানুষের বয়স যত বাড়ে মানুষ তত একাকী হয়ে পড়ে। এটা বয়স্কদের বা প্রবীণদের জন্য পীড়াদায়ক। সুতরাং যতটা সম্ভব তাদের সঙ্গ দেওয়া উচিত। বয়স্ক বা প্রবীণ লোকের সাধারণত যেসব সমস্যা

প্রবীণদের শারীরিক সমস্যা এবং আমাদের করনীয়2019-07-06T23:43:42+06:00

পুরুষের টেস্টিকুলার বা অণ্ডকোষের ক্যান্সারের লক্ষণ

পুরুষের টেস্টিকুলার বা অণ্ডকোষের ক্যান্সারের লক্ষণ নারী-পুরুষ উভয়ের জন্যই ক্যান্সার একটি মারাত্মক রোগের নাম। কিছু ক্যান্সার শুধুমাত্র নারীকে আক্রান্ত করে, যেমন জরায়ু বা জরায়ুমুখের ক্যান্সার। ঠিক তেমনই শুধু পুরুষকে আক্রান্ত করে এমন এক ভয়াবহ ক্যান্সার হলো টেস্টিকুলার বা অণ্ডকোষের ক্যান্সার। পৃথিবীতে প্রতি ২৬৩ জন পুরুষের মাঝে একজন এই ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়। কিন্তু এই রোগের লক্ষণগুলো সহজে ধরা যায় না বলে এই রোগ আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করে। জেনে নিন টেস্টিকুলার ক্যান্সারের ৮টি নীরব লক্ষণ- ১। অণ্ডকোষে ব্যথাহীন একটি পিণ্ড এই ক্যান্সারের সবচেয়ে বড় লক্ষণ হলো টেস্টিকল বা অণ্ডকোষে ব্যথাহীন একটি লাম্প বা পিণ্ড। এতে কোনো ধরণের ব্যথা বা অস্বস্তি দেখা যায় না, ফলে তা খেয়াল করে না অনেকেই। অণ্ডকোষে কোনো পিণ্ড তৈরি হয়েছে কিনা তা

পুরুষের টেস্টিকুলার বা অণ্ডকোষের ক্যান্সারের লক্ষণ2019-07-05T21:03:58+06:00

তোকমার অবিশ্বাস্য গুনাবলি ও কার্যকরী উপায়

তোকমা ছোট কালো রঙের একটি বীজ ,যা মূলত বিভিন্ন মিষ্টি পানীয় কিংবা শরবত তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। আয়ুর্বেদিক চিকিৎসায়ও তোকমার বীজ অন্যতম একটি উপাদান। এটি স্থানভেদে বিভিন্ন নামে পরিচিত। সবজা বীজ, মিষ্টি বাসিল, ফালুদা বীজ কিংবা তুর্কমারিয়া বা তোকমা বীজ হিসেবে পরিচিত। বহু গুণ রয়েছে এই বীজটির। চলুন জেনে নেয়া যাক তোকমার নানান গুন সম্পর্কেঃ ১. ওজন কমাতে দেহের ওজন কমাতে তোকমার জুড়ি নেই। পানিতে কিছুক্ষণ ভিজিয়ে রাখলেই বীজটি (তোকমা) ফুলে ওঠে। এরপর সেই পানি কিংবা নানা মসলা দিয়েও তা সুস্বাদু করে পান করা যায়। তোকমার "ওমেগা থ্রি" ফ্যাটি অ্যাসিড দেহের জন্য অত্যন্ত উপকারী। এ ছাড়াও এর নানা উপাদান দেহের চর্বি কমাতেও সহায়তা করে।এতে রয়েছে প্রচুর আঁশ, যা বাড়তি ক্ষুধা দূর করে এবং পেট দীর্ঘক্ষণ পরিপূর্ণ

তোকমার অবিশ্বাস্য গুনাবলি ও কার্যকরী উপায়2019-05-23T12:41:16+06:00

তেতুলের ১০টি উপকার ও এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

তেঁতুল পছন্দ করে না এমন মানুষ পাওয়া খুব কঠিন। বিশেষ করে তরূণীদের খাবারের তালিকায় উপরের দিকেই পাওয়া যায় এর নাম। তবে অনেকেরই ধারণা তেঁতুল খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর এবং তেঁতুল খেলে রক্ত পানি হয়। "তেতুল খেলে রক্ত পানি হয়ে যায় কিংবা তেতুল মস্তিষ্কের জন্য ক্ষতিকর" আধুনিক ডাক্তারদের মতে এ ধারনা সম্পূর্ণ ভুল। সব কিছুরই যেমন ভাল ও মন্দ আছে। তেমনি তেতুল এর ও ভাল ও মন্দ বা উপকার ও অপকার দুইটাই আছে। গরমে এটির খুব কদর বারে অন্য সময়ের তুলনায়। ছেলে মেয়ে উভয়ে তেতুল খেতে পারে। জেনে নেই তেতুলের উপকারিতা ১) হজম শক্তি বাড়ায় কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে : পেট ব্যথা বা কোষ্ঠকাঠিন্যর মতো সমস্যার সমাধান যদি চান, তেঁতুলের সাহায্য নিন।তেঁতুলের মধ্যে টার্টারিক অ্যাসিড, ম্যালিক অ্যাসিড

তেতুলের ১০টি উপকার ও এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া2019-04-29T11:29:13+06:00

কাঁচা মরিচ আপনার স্বল্প দামের ঘরের ডাক্তার

প্রতিদিন একটি করে কাঁচা মরিচ খান ? না খেলে আজ থেকেই শুরু করে দিন খাওয়া। কারন,কাঁচা মরিচে আছে ভিটামিন সি। তাই যে কোনো ধরণের কাটা-ছেড়া কিংবা ঘা শুকানোর জন্য কাঁচা মরিচ খুবই উপকারী। গরম কালে কাঁচা মরিচ খেলে ঘামের মাধ্যমে শরীর ঠান্ডা থাকে। প্রতিদিন একটি করে কাঁচা মরিচ খেলে রক্ত জমাট বাধার ঝুঁকি কমে যায়।কাঁচা মরিচে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বিটা ক্যারোটিন আছে যা কার্ডোভাস্ক্যুলার সিস্টেম কে কর্মক্ষম রাখে।কাঁচা মরিচে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি আছে যা মাড়ি ও চুলের সুরক্ষা করে।নিয়মিত কাঁচা মরিচ খেলে নার্ভের বিভিন্ন সমস্যা কমে। কাঁচা মরিচ ভিটামিনের চমৎকার উৎসঃ আধা কাপ পরিমাণ কুচি কাঁচা মরিচে প্রায় ৮০০ ইউনিটেরও বেশি ভিটামিন এ রয়েছে। আর ভিটামিন এ দৃষ্টিশক্তির জন্য ভালো, রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। সমপরিমাণ

কাঁচা মরিচ আপনার স্বল্প দামের ঘরের ডাক্তার2019-04-18T15:52:47+06:00

মাসিকের পেটে ব্যাথা কম করার কিছু কার্যকরী টিপস

মাসিকের ব্যাথা কম করার কিছু কার্যকরী টিপস। ঋতুস্রাব মেয়েদের একটি স্বাভাবিক ঘটনা। মাসিকের সময় পেটে ব্যাথা হওয়াটা ও স্বাভাবিক। তবে কারো কম আবার কারো বেশি হয়। অনেকের ব্যাথার পরিমান এত বেশি থাকে যে তাদের স্বাভাবিক কার্যক্রম বাধা পায়। অনেকে মেডিসিন খেয়ে ব্যাথা কমায়। তবে মেডিসিন না খেয়ে ঘরোয়া কিছু উপায়ে এই ব্যাথা কমান সম্ভব। ১। গরম পানির সেঁক মাসিকে অনেক বেশি পেটে ব্যাথা করলে হট ব্যাগে গরম পানি নিয়ে পেটের উপরে দিয়ে রাখুন। এতে আপনার ব্যাথা কবে যাবে। সম্ভব হলে গরম পানি দিয়ে গসল করতে পারেন। আপনার পেটের ব্যাথা কমিয়ে কিছুতা স্বস্তি পাবেন। ২। পেটে ব্যাথা কমাতে দুধের ভূমিকা সকালের নাস্তার মেনুতে রাখুন দুধ। প্রতিদিন এক গ্লাস করে দুধ পান করুন। এটি আপনার শরীরের ক্যালসিয়ামের

মাসিকের পেটে ব্যাথা কম করার কিছু কার্যকরী টিপস2019-03-17T21:16:36+06:00

সদ্য জন্মজাত শিশুর জন্ডিস কেন হয়।আগে থেকে জানুন এবং সতর্ক থাকুন।

শতকরা ৭০ থেকে ৮০ ভাগ নবজাতক শিশুর জন্মের পর পর জন্ডিস হতে পারে। ৫০ শতাংশের বেলায় এটাকে বলে স্বাভাবিক জন্ডিস বা চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় ফিজিওলজিক্যাল জন্ডিস। সাধারণ ক্ষেত্রে শিশুর যকৃৎ পুরোপুরি কর্মক্ষম হয়ে উঠতে একটু দেরি হলে রক্তে বিলিরুবিনের মাত্রা বেড়ে গিয়ে জন্ডিস হয়ে থাকে।   জন্ডিস কেন হয়? স্বল্প ওজনে ভূমিষ্ঠ শিশু বা সময়ের আগে জন্ম নেয়া শিশুরা জন্ডিসে বেশি আক্রান্ত হয়। এ ছাড়া জন্ডিসের কারণ হিসেবে যে বিষয়গুলো ধরা হয়, তা হল- মা ও শিশুর রক্তের গ্রুপ যদি এক না হয়। শিশু সঠিক সময়ে পর্যাপ্ত পরিমাণে বুকের দুধ না পেলে, অনেক সময় একে ব্রেস্ট ফিডিং জন্ডিসও বলা হয়। গর্ভাবস্থায় মায়ের কোনো সংক্রমণের ইতিহাস ঘটলে । শিশু জন্মগত ভাবে কোনো রোগে আক্রান্ত হলে। জন্মের পর

সদ্য জন্মজাত শিশুর জন্ডিস কেন হয়।আগে থেকে জানুন এবং সতর্ক থাকুন।2019-03-01T14:36:25+06:00

বাদাম নাকি ছোলা, কোনটা খাবেন আগে।বাদাম ও ছোলা বিষয়ে টিপস।

বাদাম ও ছোলা দুইটাই খুব পরিচিত খাবার। পুষ্টিকর গুণাগুণের দিক থেকে অনেক কিছুর মধ্যে মিল রয়েছে বাদাম ও ছোলায়। এই পর্বে বাদাম ও ছোলা বিষয়ে কিছু টিপস দেবো ।আপনি যদি টিপস গুলো গ্রহণ করেন তাহলে আপনার শরীরের পুষ্টিগুণ বেড়ে যাবে। বাদাম আপনি কি বেশি লবন খান ? তাহলে  আজ থেকে প্রতিদিন বাদাম খাওয়ার  অভ্যাস গড়ে তুলুন কারণ আপনাকে কম লবণ খাওয়ার সহায়তা করবে। সাধারণত মসলা যুক্ত মজার স্ন্যাকসে লবণের পরিমান অতিবেশি থাকে।মসলা যুক্ত বাদামে যে পরিমান লবন থাকে, ঠিক সেই পরিমান এর চেয়ে এক কেজি স্নাকস্  এর তার চেয়ে বেশি লবন থাকে। এই দিক বিবেচনা করে আপনি যদি স্নাকস্-এর পরিবর্তে বিকল্প হিসেবে বাদাম খান, সেটা আপনার শরীরে অতিরিক্ত লবন জনিত রক্তচাপ কমাতে বেশ সাহায্য করতে

বাদাম নাকি ছোলা, কোনটা খাবেন আগে।বাদাম ও ছোলা বিষয়ে টিপস।2019-03-01T15:29:30+06:00

অ্যাজমা বা হাঁপানি (শ্বাসকষ্ট) থেকে সুস্থ থাকতে চাইলে ইনহেলার ব্যাবহার সম্পর্কে জানুন

অ্যাজমা বা হাঁপানি হলো শ্বাসনালির প্রদাহজনিত দীর্ঘমেয়াদি একটি রোগ। এই রোগ প্রবাহের ফলে শ্বাসনালি অনেকটা ফুলে যায় এবং অতিমাত্রায় সংবেদনশীল হয়ে উঠে। এতে হাঁপানির বিভিন্ন লক্ষণ, যেমন—কাশি,  শ্বাসকষ্ট, বুকে চাপ বাধা এবং শোঁ শোঁ আওয়াজ হয় । সঠিক ও নিয়মিত ভাবে চিকিৎসা নিলে এ উপসর্গ গুলো সবই নিয়ন্ত্রণের মধ্যে চলে আসে। হাঁপানির চিকিৎসার বিভিন্ন ধরনের ওষুধ ব্যবহূত করা হয়, যেমন—রোগ নিরাময় ওষুধ, রোগ প্রতিরোধ বা বাধা দানকারী ওষুধ,ইনহেলার ইত্যাদি। এ ওষুধগুলো সম্পর্কে সকলের ধারণা থাকতে হয়। এই পর্বে আপনাদেরকে ইনহেলার ব্যাবহারের সম্পর্কে কিছু বলবো। ইনহেলার আসলে কি? ইনহেলার কীভাবে কাজ করে, এর সঠিক মাত্রা কী, ইনহেলার এর সাধারণত কী কী  পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া  থাকে এ সকল সম্পর্কে তুলে ধরা হবে। ইনহেলার  হলো অ্যাজমা রোগের উপশমকারী।ইনহেলার গ্রহণে কি কোন বাধা

অ্যাজমা বা হাঁপানি (শ্বাসকষ্ট) থেকে সুস্থ থাকতে চাইলে ইনহেলার ব্যাবহার সম্পর্কে জানুন2019-03-18T16:54:43+06:00

কাঁচা আম এর অসাধারণ পরিমানের ১৫ টি গুনাগুন ।

গ্রীষ্ম কালিন ফলের মধ্যে সবচেয়ে মজাদার একটি ফল হল আম। আম খেতে পছন্দ করে না, এমন মানুষ খুজে পাওয়া খুবই কঠিন ব্যাপার। কাঁচা আম অথবা পাকা আম, যেটাই খান না কেন সবই আপনার শরীরের জন্য খুবই উপকারী। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় পাকা আমের তুলনায় কাঁচা আমের গুনাগুণ অনেক বেশি থাকে। এই পর্বে আমরা আপনাকে কাঁচা আমের অসাধারণ কিছু গুনাগুণের কথা জানাবো। কাঁচা আম এর গুনাগুন গুলো হলঃ কাঁচা আম খেলে আপনার স্মৃতিশক্তি বাড়াতে অনেক সাহায্য করবে। আপনি জানেন না হয়তোবা, ক্যারোটিন ও ভিটামিনসমৃদ্ধ কাঁচা আম খেলে আপনার চোখ ভালো থাকবে কাঁচা আমের মধ্যে বিটা ক্যারোটিন থাকায় কারণে হার্টের সমস্যা প্রতিরোধে করতে সাহায্য করে। খেলে শরীরের পটাশিয়ামের অভাব পূরণ হয়। প্রচুর পরিমাণে আয়রন থাকায় রক্তস্বল্পতা সমস্যা

কাঁচা আম এর অসাধারণ পরিমানের ১৫ টি গুনাগুন ।2017-05-09T04:28:56+06:00

যেভাবে লবন খাওয়া কমাবেন

নুনের মতো ভালোবাসা’ গল্পটি নিশ্চয়ই জানেন। রাজকন্যারা রাজাকে কে কেমন ভালবাসেন জানতে চাইলে অন্যান্য মেয়েরা দামি দামি জিনিসের মত ভালবাসার কথা বললেও ছোট মেয়ে বলেছিলেন-নুনের মত ভালবাসি। উত্তরে রাজা অখুশি হয়ে তাকে নৌকায় সমুদ্রে ভাসিয়ে দেয়। তার কান্নার পানি সমুদ্রে মিশে গিয়ে পানি হয়ে যায় নোনা। এটা রূপকথার গল্প। গল্পে ছোট মেয়ের ভাষ্য দিয়ে আমাদের জীবনে লবনের ব্যবহারের কথা বোঝানো হয়েছে। খাবারের অন্যতম দরকারি উপাদান লবণ বা নুন। অন্য উপাদানগুলোর তুলনায় পরিমাণে কমই লাগে, কিন্তু না হলেও চলে না। লবণক্ষেতের দখল নিয়ে ইতিহাসে যুদ্ধ হয়েছে, সামান্য লবণ খাইয়ে জমিদারের কাছ থেকে ক্ষেতিজমি উপহার পেয়েছেন অসহায় কৃষক। মালিকের লবণ বা নিমক খাওয়ার কারণে সততা ও ঈমানের পরীক্ষা দিতে হয়েছে অনুগত কর্মচারীদের। সেই থেকে চালু হয়েছে নিমক

যেভাবে লবন খাওয়া কমাবেন2017-03-27T15:16:49+06:00